Articles by "ইউনিয়ন পরিষদ"
Showing posts with label ইউনিয়ন পরিষদ. Show all posts


শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউপি’র হোসেনপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি গত ৯ মে সকাল ৯ টায় ঐ গ্রামের মুন্সিগাজী তালুকদার বাড়িতে ঘটে। আহতরা হল সুমন (২৮) আনোয়ার হোসেন (৩৫) মোঃ আলী আব্বাস(৪০) ও জয়নব বেগম (৫৫)। আহতদের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণে আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ,প্রতিপক্ষ ইউনুছ গংয়ের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার সময় সুমনের সাথে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে মৃত সোলাইমানের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৩৫) বালতি ভর্তি গরম পানি সুমনের শরীরে ঢেলে দেয় ও তার পকেটে রক্ষিত ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় । এতে তার শরীরের বাম অংশ ঝলশে যায় । তার আর্ত চিৎকারে আনোয়ার, আলী আব্বাস ও জয়নব বেগম ছুটে আসলে ইউনুছ পিতা মৃত শামছুল হক , মজিবুর রহমান (৪০),মোঃ আকতার হোসন (২৬) পিতাঃ মৃত সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুর রব (৬০) পিতা  মৃতঃ নেয়াজ উদ্দিন , শামছুনন্নাহার পিতাঃ মৃত আব্দুল ওহাব একযোগে তাদের উপর হামলা করে। এসময় আনোয়ার হোসেনের মাথা ফেঠে যায় , ছুরি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় আলী আব্বাসকে, জয়নব বেগমকে মারধর ও তার পরিধেয় কাপড় ছিড়েঁ ফেলা হয়। এ ঘটনায় শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নং-০৬ তারিখ ১০/০৫/১৬ ।
শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক পূর্বপাড়া মাঠে জন্ম নেয়া একটি বট গাছকে ঘিরে ধর্ম ব্যবসা ও প্রতারণার ডাল-পালা গজিয়েছে। কথিত মসজিদ, মাদ্রাসা, অসহায় প্রতিবন্ধী আশ্রম ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের নামে সরকারের প্রায় ১৮ শতাংশ জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই বট গাছকে অলৌকিক আখ্যা দিয়ে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কুচক্রী মহল।

    জানা যায়, ওই মাঠের ফসলী জমির মাঝখানে একটি বট গাছকে ঘিরে সরকারের ২০ শতাংশ খাস জমি রয়েছে। রোদ-খরা ও বর্ষায় কৃষকগণ একটু প্রশান্তির আশায় ওই গাছের ছায়াতলে বসতো। এলাকাবাসী জানায়, ৬/৭ বছর আগে শোরসাক গ্রামের জুনাব আলীর পুত্র জসিম উদ্দিন বট গাছে অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে মর্মে দাবি করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও গাছকে ঘিরে ওয়াজ মাহফিল শুরু করে। এ স্থানে হাফেজিয়া মাদ্রাসা, জামে মসজিদ, এতিমখানা, দুঃস্থ-অসহায় প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে দাবি করে দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, মোটর শ্রমিক এমনকি নিন্মবিত্তের কাছ থেকে মোটা অংকের দান-অনুদান গ্রহণ করে। এছাড়াও রয়েছে ছোট-বড় দান বাক্সের বহর।
    স্থানীয়রা জানায়, কোনমতে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হওয়া স্বল্প শিক্ষিত যুবক তার রসালো-রসনায় প্রথমে বীমা পেশা হতে শুরু করে বিভিন্ন এনজিও ও সমবায় সমিতির মাধ্যমে এলাকা হতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এক সময়কার আলোচিত জুয়াড়ি জসিম জুয়া খেলায় সর্বস্ব খুইয়ে দিশেহারা হয়ে কখনো চায়ের দোকান আবার কখনো ভাতের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা গেছে। সবশেষে পোষাক পাল্টিয়ে দাড়ি-টুপি ধারণ করে বট গাছ হতে বের হওয়া শিকল জড়িয়ে ধরে সাধারণ থেকে বনে যায় ফকির আস্তানার মোতাওয়াল্লি ওরফে শিকল হুজুর। তাছাড়াও জসিম উদ্দিনের অর্থ কেলেঙ্কারীর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তারা।
    সরেজমিনে গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় আলোচিত ফকির আস্তানায় গেলে ওই স্থানে দরজা বন্ধ একটি টিনের দোচালা ঘর যা জামে মসজিদ নামে পরিচিত। পাশেই একটি একচালা যা কাগুজে কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বর্ষার শুরু হতে সপ্তাহে একদিন জুমা’র নামাজ ছাড়া আর কোনো আনুষ্ঠানিকতা হয়না। স্বল্প সময়ের জন্য চালুকৃত মক্তবটি (মসজিদের ভিতর) বন্ধ হয়ে গেছে ৩/৪ মাস আগে।
    বিভিন্ন দান-অনুদানের এতো টাকা পয়সা কোথায় যায়, জানতে চাইলে আস্তানার পরিচালনা কমিটির সদস্য পরিচয়দানকারী মোঃ আবু হানিফ জানায়, মসজিদ তৈরিতে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। মাদ্রাসা ঘর নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩১ হাজার টাকা। এছাড়া ৬০ হাজার টাকা আস্তানার নামে করা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, জসিম উদ্দিন বিভিন্ন জায়গা থেকে উত্তোলিত টাকাগুলো রাতের পর রাত জুয়া খেলে নষ্ট করেছে। যে কারণে তার ধার দেনা পরিশোধের লক্ষ্যে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা চলছে।
    আস্তানার খাদেম হাফেজ মোঃ রেহান উদ্দিন জানান, এখানে কোনো পরিচালনা কমিটি নেই। জসিম উদ্দিন একাই এই কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারী, ক্যাশিয়ারসহ সকল পদধারী। মাহফিলের সময় বিভিন্ন ধরণের লোকদের আনা-গোনা ও বিভিন্ন টাইপের লোকদের দিয়ে মাহফিল চালানো হয়। মাদ্রাসা ঘর নির্মাণে আমি নিজে ৩১ হাজার টাকা ধার করেছি যা আজো পরিশোধ করা হয়নি। আস্তানার নামে ব্যাংকে কোনো টাকা গচ্ছিত নেই। মাহফিলের নামে ৪/৫ ধরনের লিফলেট তৈরি করে ভিন্ন ভিন্ন লোকদের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি সাজিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে থাকেন। বট গাছের অলৌকিক শিকল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, এক সময় বট গাছের সাথে মুরুব্বিরা শিকল দিয়ে হারিকেন বেঁধে রাখতো, কালক্রমে গাছের বেড় বৃদ্ধি পেয়ে ওই শিকলটি গাছের ভিতর আটকে গেছে।
    এ ব্যাপারে জসিম উদ্দিন ওরফে শিকল হুজুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে উল্লেখিত স্থানে কোনো এতিমখানা, অসহায় প্রতিবন্ধী আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম নেই বলে জানা যায়।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আবদুর রব মোল্লা (৬২) বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় তাঁর নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)। শুক্রবার জানাযা শেষে তাকে পরিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি , স্ত্রী , ২ মেয়ে , ২ ছেলে সহ আত্মীয় স্বজন অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টায় নাওড়া ঈদগা মাঠে নামাজের জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
সাংবাদিক মো. মাহবুব আলমের উপস্থাপনায় জানাজা পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন , শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. দেলোয়ার হোসেন, আরবী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাও. শাহ জাহান, মরহুমের বড় মেয়ের জামাতা মো. শরিফুল ইসলাম।
মুসল্লিগণের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ তৈয়বুল ইসলাম পাটওয়ারী, শিক্ষক, ছাত্র , মরহুমের নিকট আত্মীয়স্বজন ও এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
নামাজের জানাযায় ইমামতি করেন ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মোঃ কামাল উদ্দিন আব্বাসী।


শাহরাস্তি উপজেলার হাইড়েরপাড় গ্রামে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। কোনো প্রকার আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই গোপন সমঝোতায় লাশ দাফন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ১০ মে গভীর রাতে ঐ গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ হোসাইন (২৬) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরদিন সকালে বাড়ির লোকজন বাড়ির পেছনে থাকা কড়ই গাছের সাথে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। তারপর ঘটে নানা ঘটনা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মাস পূর্বে মোহাম্মদ হোসাইনের সাথে শাহরাস্তি পৌর এলাকার কাজিরকাপ গ্রামের ছফিউল্লার মেয়ে রিনা আক্তারের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকে মোহাম্মদ হোসাইন তার স্ত্রীকে মেনে নিতে পারেনি। তাদের অল্প ক' দিনের বিবাহিত জীবন ছিল লোক দেখানো। রিনার পরিবার জানায়, হোসাইন পরকীয়া প্রেম করার কারণে স্ত্রীকে মেনে নেয়নি। তাদের বিয়ের সময় কাবিননামায় দেনমোহরানা নির্ধারণ করা হয় দেড় লাখ টাকা। এরপর গত কিছু দিন পূর্বে হোসাইন ও রিনার পরিবার পক্ষ উক্ত বিষয়টি সমাধানের উদ্দেশ্যে বসেন। এতে শোরসাক এলাকায় ক'জন সালিসের উপস্থিতিতে একপর্যায়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্যে ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা দেয়ার জন্যে মোহাম্মদ হোসাইনের উপর রায় দেয়া হয় । আগামী ১৫ মে উক্ত টাকা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উক্ত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে মোহাম্মদ হোসাইন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এদিকে হোসাইনের মৃতদেহ রেখে সালিস ও পরিবারের সদস্যরা হোসাইনের শ্বশুর বাড়ির লোকদের সাথে দফায় দফায় সমঝোতা বৈঠক করে। এক পর্যায়ে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের মধ্যে আপোষ হয়। হোসাইনের পিতা মিজানুর রহমানের নিকট এত টাকা না থাকায় তাৎক্ষণিক শোরসাক বাজারে অবস্থিত ডায়মন্ড ঋণদান সমিতি থেকে ২ লাখ টাকা উত্তোলন করে রিনার পরিবারকে প্রদান করে। অপরদিকে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি প্রদান করেন। হোসাইনের ভাবী মনি বেগম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হোসাইনের স্ত্রী রিনা ভালো মেয়ে, আমরা তাকে রাখতে চেয়েছি। কিন্তু হোসাইন মেনে নিতে পারছিলো না। যেহেতু হোসাইন মারা গেছে তাই তাদের দাবি পূরণ করা হয়েছে।
হোসাইনের মা রোকেয়া বেগম সাংবাদিকদের দেখে বলেন, আমরাতো গতকাল পুলিশকে টাকা দিয়েছি, আপনারা কেন এসেছেন? এ ব্যাপারে সালিস সালেহ আহমেদ, মনির হোসেন ও তৈয়ব আলী তালুকদার জানান, তারা দু'পক্ষের মাঝে সমাধানের চেষ্টা করছিলো। ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা নির্ধারণ করার পেছনে কী যুক্তি ছিল সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে এত বড় টাকার অংক নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে হোসাইনের পক্ষে এ টাকা যোগাড় করা সম্ভব না হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, হোসাইন মৃত্যুর আগে চিরকুট রেখে গেছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে হোসাইনের শ্বশুর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে রিনার জেঠা মেহার দক্ষিণ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মোঃ আবু তাহের প্রকাশ ভোলা চকিদার ২ লাখ টাকা নির্ধারণের কথা স্বীকার করেন। টাকা গ্রহণের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। তবে রিনার সাথে যাওয়া নিকটাত্মীয় শাহরাস্তি পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর ছকিনা বেগম টাকা গ্রহণের বিষয়টি সাংবাদিকদের মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।



শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর গ্রামের তেলিয়া বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া ৩ সন্তানের জননী রুমু বেগমের লাশ গতকাল সোমবার দাফন করা হয়েছে। গত ৭ মে দুপুরে রুমু বেগমকে খুন করে লাশ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী পলাতক রয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৭ মে বেলা দেড়টায় রুমু বেগমের কন্যা মারজান (৪) তার মায়ের মৃতদেহ সেফটিক ট্র্যাংকের ভেতরে দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার করে। এরপর বাড়ির লোকজন এসে লাশটি উদ্ধার করে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরদিন ৮ মে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্যে চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্ত শেষে গতকাল তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার পর থেকে রুমু বেগমের স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রুমু বেগমকে মেরে লাশ সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছে। এ হত্যার জন্যে রুমুর স্বামীকে দায়ী করেছে পরিবারের সদস্যরা।

এ ব্যাপারে রুমু বেগমের ভাই মিন্টু বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ কামাল উদ্দিন জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তার স্বামী জামাল হোসেন পলাতক রয়েছে I
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায়

আহত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।



রোববার ভোরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানান শাহরাস্তি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. দিলদার হোসেন আজাদ।

নিহত জামাল হোসেনের (২৮) বাড়ি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের নিজ মেহার এলাকায়।
পুলিশ কর্মকর্তা দিলদার হোসেন আজাদ বলেন, শনিবার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ চলাকালে নাহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জামাল হোসেন গুরুতর আহত হন।

“তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সেখান থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।”
এ নিয়ে চতুর্থ দফা ভোটের সহিংসতায় সাত জন নিহত হল। এর মধ্যে নরসিংদীর রায়পুরা, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ভোট চলার সময় একজন করে এবং গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভোট গণনার সময় সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।

আর রাজশাহীর বাগমারার সব ইউনিয়নে একদিন আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হলেও সেখানে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।




শাহরাস্তিতে  স্বামীকে হত্যা করে সন্তানের সহযোগিতায় মাটি চাপা দিয়েছে পাষন্ড স্ত্রী। নির্মম এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মেহের উত্তর ইউনিয়নের নয়নপুর বেপারী বাড়ি প্রকাশ নতুন বাড়িতে। ওই ঘটনায়  শনিবার ১৬দিন পর স্ত্রীর স্বীকারোক্তিতে বাড়ির পাশ্ববর্তি জমি থেকে গলিত লাশ উত্তোলন করে পুলিশ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ওই বাড়ির মৃত আঃ হাকিমের পুত্র মোঃ জামাল হোসেন (৪০) গত ১৪ এপ্রিল নিখোঁজ হয়েছে মর্মে তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম হ্যাপি (৩৫) গত ২৮ এপ্রিল বৃহস্প্রতিবার শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রী নথিভূক্ত করেন। যার নং-১০৭৬। ডায়রী করার পর থানা পুলিশ নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানের জন্য বিভিন্ন থানায় অবহিত করেন। পরে পুলিশের বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। অপরদিকে ফাতেমা বেগম ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তার এক নিকটাত্মীয় আমির হোসেনের স্বরণাপন্ন হয়। আমির হোসেন ফাতেমার সাথে কথা বলে কিছুটা অনুমান করতে পেরে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমানকে অবগত করেন। পরে শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গা এলাকায় আমির হোসেন ফাতেমা বেগমকে কৌশলে ডেকে থানা হতে সাধারণ ডায়রী উত্তোলনের নাম করে অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমানের পরিচয় গোপন করে তার সাথে থানায় পাঠিয়ে দেন। এরপর অফিসার ইনচার্জ থানায় এনে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং লাশ কিভাবে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে তার বিবরণ দেন। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান, উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মোঃ আবদুল মান্নান, মোঃ নিজাম উদ্দিন, সমীর মজুমদার ও মোঃ কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির পশ্চিম পাশের জমি থেকে গর্ত খুঁড়ে গলিত লাশ উত্তোলন করেন। এ সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভীড় জমায়।

এদিকে নিহতের ভাই আজাদ হোসেন জানান, আমার ভাই ১ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানের জনক। তিনি পারিবারিক ভাবে সুখেই ছিলেন। আমার ভাবির পরকীয়ার জেরে বিভিন্ন সময় ভাইয়ের সাথে বাকবিতন্ডা হতো। তার পরকীয়ার কারণেই আমার ভাই এ নির্মম হত্যার শিকার হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে ফাতেমা জানায় ঘটনার রাতে তার স্বামীর জন্ডিসের ঔষুধের সাথে ৮টি ঘুমের ঔষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেন। স্বামী গভীর ঘুমে থাকাবস্থায় বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তার ৯ম শ্রেণিতে পড়–য়া পুত্র জাহিদুল ইসলাম ফাহিমকে (১৩) ডেকে তোলে তার বাবা আত্মহত্যা করেছে বলে জানায়। দিনের বেলায় স্থানীয়দের বিষয়টি বিশ্বাস করাতে পারবে না বলে রাতেই বাড়ির পশ্চিম পাশের জমিতে মাটি চাপা দিবে বলে ছেলেকে রাজি করে। এরপর মা ও ছেলে দুজনে মিলে তার লাশ মাটি চাপা দেয়। এ ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম হ্যাপী ও ছেলে থানায় আটক রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।


কাল রাত প্রায় ১২:৪০ মিনিটে নুনিয়া মধ্য পাড়া মোস্তফার চায়ের দোকানে 

আগুন লাগে।


প্রায় আগুনে সব কিছু পুড়ে যায়।


এই ঘটনা পরির্দশন করতে যান চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জনাব 

জোবায়েদ কবির বাহাদুর।


তিনি বলেন এই ঘটনা যদি কেউ করে থাকেন তা হলো তাদের প্রতি আইনগত 

বেবস্থা নেওয়া হবে।


এবং দোকানদার মোস্তফাকে শান্তনা দেন। তিনি বলেন দোকানের 

সব রনের ক্ষয়ক্ষতি পরিমান কত হয়েছে সব তিনি দেবেন।
no image
ক) নাম –মেহের উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ।
খ) আয়তন – ৬.২৯ (বর্গ কিঃ মিঃ) ১৫৬০ একর
গ) লোকসংখ্যা –১২৬৮১ জন (প্রায়) (২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী)
ঘ) গ্রামের সংখ্যা – ১৩ টি।
ঙ) মৌজার সংখ্যা –১৩ টি।
চ) হাট/বাজার সংখ্যা -২ টি।
ছ) উপজেলা সদর থেকে যোগাযোগ মাধ্যম – সিএনজি/রিক্সা।
জ) শিক্ষার হার – ৮৫%। (২০০১ এর শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী)
    সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ০২টি,
    বে-সরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়- ১৩টি,     
    উচ্চ বিদ্যালয়ঃ ১টি,
    মাদ্রাসা- ৭টি।
ঝ) দায়িত্বরত চেয়ারম্যান –জনাব সাইফুল ইসলাম রনি
ঞ) গুরুত্বর্পূণ ধর্মীয় স্থান- ৪ টি।
ট) ঐতিহাসিক/পর্যটন স্থান – নাই।
ঠ) ইউপি ভবন স্থাপন কাল – ০১/০১/১৯৬১ইং।
ড) নব গঠিত পরিষদের বিবরণ –
                                    ১) শপথ গ্রহণের তারিখ – ০১/০৭/২০১১ইং
                                    ২) প্রথম সভার তারিখ – ১২/০৭/২০১১ ইং
                                   ৩) মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিথ – ০১/০৭/২০১৬ইং
ঢ) গ্রাম সমূহের নাম –
             দেবীপুর           নায়নগর                তারাপুর
             কাঁকৈরতলা     দুর্গাপুর                 বানিয়াচোঁ
            খনেশ্বর            বরুলিয়া                পতিচোঁ
           নয়নপুর            শেক্কুনী                কদমতলী
                                   সোনাপুর            
ণ) ইউনিয়ন পরিষদ জনবল –
               ১) নির্বাচিত পরিষদ সদস্য – ১৩ জন।
               ২) ইউনিয়ন পরিষদ সচিব – ১ জন।
              ৩) ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ – ৩ জন।
ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র জনবল -
               ১) সাইফুল ইসলাম সিফাত (প্রধান উদ্যেক্তা)
              ২) হালিমাতুজ্জাহান রুমা      (সহ-উদ্যেক্তা)
             ৩) সিয়ামুল হাসান তামিম    ( কিশোর উদ্যেক্তা)

হযরত মাওলানা নূরুল হক (রঃ) এর মাজার শরীফ, ওয়ারুক বাজার মসজিদ সংলগ্ন।




কিভাবে যাওয়া যায়: 
উপজেলা থেকে সি, এনজি, বাস, রিক্সা, অটো রিক্সা ও সাইকেলের মাধ্যমে যাওয়া যায়।
অবস্থান: 
টামটা (উঃ) ইউনিয়ন পরিষদ।
no image

ক্রীড়া সংগঠন

১। বলশীদ (উঃ) পাড়া শেখ রাসেল ক্রিড়া সংঘঠন।
২। ইছাপুরা  রয়েল ক্লাব । 
৩। মুড়াগাঁও ক্রিড়া সংঘঠন।
৪। গোলপুরা আদর্শ ক্রিড়া সংঘঠন।

সাংস্কৃতিক সংগঠন

১। দামামা শিল্পী গোষ্ঠী।
২। সিন্দাবাদ শিল্পী গোষ্ঠী।
এছাড়ারাও বিভিন্ন এনজিও সমুহ মাঝে মাঝে বিভিন্ন জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নাটিকা, সংগীতানুষ্ঠান ইত্যাদি প্রচার করা হয়।

পেশাজীবি সংগঠন

০১. নিজেরা করি ভুমিহীন সংগঠন
০২. আব্দুল্লাহপুর জেলে সমবায় সমিতি
০৩. বুড়িরপাড় যুব উন্নয়ন সমিতি
০৪. জিন্নতপুর কৃষক সমিতি


মসজিদ


ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছবিধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামঅবস্থান
মুড়াগাঁও জামে মসজিদ
বলশীদ (দঃ) পাড়া দাশের বাড়ী জামে মসজিদ
গোলপুরা জামে মসজিদ
আদর্শ ইছাপুরা পূর্ব পাড়া জামে মসজিদ
ইছাপুরা মধ্য পাড়া জামে মসজিদ
ডুশুয়া আল আকসা সুন্নিয়া জামে মসজিদ
ডুশুয়া মুন্সী বাড়ী জামে মসজিদ
দৈলবাড়ী পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ
পাঁচরুখী বাইতুল মামুর জামে মসজিদ
পরানপুর উত্তর পাড়া শাহী জামে মসজিদ
পরানপুর পাটওয়ারী বাড়ী জামে মসজিদ
বাইতুচছুজুদ জামে মসজিদ রাজাপুরা।
বাইতুস সুজুদ জামে মসজিদ ইছাপুরা (উঃ পাড়া)
বলশীদ (দঃ) পাড়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ
মরহুম মাওলানা কেরামত আলী (রঃ) জৈনপুরী জামে মসজিদ
রাঁড়া আখন্দ বাড়ী জামে মসজিদ
রাঁড়া পাটঃ বাড়ী জামে মসজিদ
সেতরা বাইতুর নুর জামে মসজিদ
সেতরা সর্দার বাড়ী জামে মসজিদ
হজরত মিরান শাহ বোগদাদী (রঃ) জামে মসজিদ

হযরত শাহজালাল জামে মসজিদ