Articles by "News"
Showing posts with label News. Show all posts
এতদিন পর গত ১৪ জুলাই চাঁদুপর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর সড়কটি মেরামতের কাজ করতে দেখা গেছে। চাঁদপুর থেকে আসা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের একটি ট্রাক দোয়াভাঙ্গা, উপলতা ও ঠাকুর বাজার এলাকায় মেরামত কাজে নিয়োজিত থাকতে দেখা গেছে।
এব্যাপারে কর্তব্যরত শ্রমিকদের জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো সুদত্তর দিতে পারেনি। তবে ঠাকুর বাজার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক মেরামত করলেও আজ পর্যন্ত বাকী অংশ সড়কের মেরামত কাজ করতে দেখা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৃষ্টি কমলে বাকি অংশের কাজ করা হবে।

শাহরাস্তি ইয়ুথ ক্লাবের উদ্যোগে হতদরিদ্রের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় শাহরাস্তি ইয়ুথ ক্লাবের প্রধান কার্যালয়ে এ সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়। শাহরাস্তি ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ শুভর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র ও ইয়ুথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা হাজী আব্দুল লতিফ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন আলম, ছালে আহম্মদ জাহিদ, মাহবুব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিন, জয়, অর্থ সম্পাদক শরীফ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বাপ্পী, দপ্তর সম্পাদক শামীম, ক্রীড়া সম্পাদক সুমন, সদস্য ইব্রাহিম, পৌরশাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ উপস্থিত ছিলেন। ফাউন্ডেশন সূত্রে জানায়, এ বছর ২ শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এ সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়।
ঈদকে সামনে রেখে শাহরাস্তিতে সক্রিয় চোরা কারবারীরা, রেলপথে প্রতিনিয়ত আসছে মাদক-মসলাসহ অবৈধ মালামাল। ভারতীয় মালামালের ব্যবসার সাথে জড়িত শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি সিন্ডিকেট।
ঈদকে সামনে রেখে শাহরাস্তি উপজেলায় চোরা কারবারীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। অবৈধভাবে আসা ভারতীয় মালামালের ব্যবসার সাথে জড়িত শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি সিন্ডিকেট, বিশেষ করে ট্রেন ও বাস যোগে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা এসব মালামাল অত্র উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
অবৈধ ব্যবসার সাথে পশ্চিম উপলতা সূয়াপাড়া , কালিয়াপাড়া ও মেহের স্টেশন এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে।
বছরের পর বছর ধরে তারা এ ব্যবসার সাথে জড়িত একথা সবার সামনে স্বীকারও করেন। বাধা দিতে কেউ এগিয়ে আসলে তাকে নানাভাবে হয়রানি করা হয়।
১৫ জুন পৌনে ২ টায় কুমিল্লা থেকে আসা ডেমু ট্রেনের ওপর কিছুটা নজর রেখে দেখা যায়, ট্রেনটি মেহের স্টেশনে এসে পৌঁছলে পেছনের বগি থেকে একে একে ৬ টি বস্তা নামানো হয়। অবৈধ পণ্য ট্রেন থেকে নামিয়ে দিতে সহযোগিতা করছেন জিআরপির এক সদস্য এসময় সাংবাদিক দেখে তিনি মুখ লুকিয়ে ভিতরে ঢুকে যান। প্লাটফর্মে অপেক্ষমান ৫/৬ যুবক বস্তা গুলো ধরে গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সি এনজিতে উঠিয়ে দিচ্ছেন ।
এ সময় তাদের সাথে একজন মহিলা সদস্যও ছিলো। এ মহিলা কুমিল্লার শশীদল থেকে মাল গুলো নিয়ে আসছেন। সাংবাদিকরা ছবি তোলার এক প্রর্যায়ে মৃত দাইমুদ্দিনের পুত্র চোরা কারবারী সুজরুত আলী ওরফে সুরা এগিয়ে এসে ছবি তুলতে বাধা দেন এবং বলেন ছবি তুলে কি হবে কোন সমস্যা নাই।
আসেন আপনাদের সাথে কথা বলি। একপর্যায়ে সুরা সাংবাদিকদের অর্থ দিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন, সাংবাদিকগণ তার প্রস্তাবে সম্মত না হওয়ায় তিনি বলেন, আমি কয়েক যুগধরে ব্যবসা করে আসছি সাংবাদিক পুলিশ সবাই সুবিধা পায় আপনারা কিছু টাকা নিয়ে যান, প্রতিমাসে আইসেন আরো টাকা দিবো।
তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় এসে উপস্থিত হন সুরার ছেলে মেহের রেলগেট এলাকার ফল ব্যবসায়ী শাহজাহান সাজু ।
সে জানায়, ‘আপনারা ভেজাল বাড়িয়ে লাভ নেই। ব্যবসা কেউ বন্ধ করতে পারবেনা, আমার বাবা বহু বছর ধরে ব্যবসা করে আসছে আমরা এটা করেই খাই। অনেক প্রভাবশালী নেতা, কতিপয় সাংবাদিক , পুলিশ, টাকা নেয় আপনারা আর কি করবেন?’
চোরা কারবারীদের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কয়েক স্তরের নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা । ঈদ মৌসুম সামনে রেখে প্রতিদিনই আসে পণ্য।
অনেকেই জানান, তার এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক দিক ম্যানেজ করেন বাবুল ওরফে পাঠা বাবুল । ভারতীয় পণ্য মেহের স্টেশনে নামার পর এগুলো উপজেলা বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেয়া হয়, অনেকেই জানান বর্তমানে জিরা, গোলমরিচ, এলাচি, শাড়ি, থ্রিপিচ বেশি আসছে, এ ছাড়া এ পথে মাদকদ্রব্য ও কুমিল্লার সিমান্ত হয়ে চলে আসছে।
জনসম্মুখে বুক ফুলিয়ে চোরাকারবারীদের এ ব্যবসা বহু দিনের । মাঝে মাঝে প্রশাসনের অভিযান থাকলেও মূলহোতারা নিরাপদেই থেকে যায়। যাত্রীরা এ দৃশ্য দেখে অবাক হওয়া ছাড়া আর কোন কিছুরই উপায় থাকে না, স্থানীয় অনেক নেতাদের ভাগ ভাটোয়ারা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখা হয়।

শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউপি’র হোসেনপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি গত ৯ মে সকাল ৯ টায় ঐ গ্রামের মুন্সিগাজী তালুকদার বাড়িতে ঘটে। আহতরা হল সুমন (২৮) আনোয়ার হোসেন (৩৫) মোঃ আলী আব্বাস(৪০) ও জয়নব বেগম (৫৫)। আহতদের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণে আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ,প্রতিপক্ষ ইউনুছ গংয়ের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার সময় সুমনের সাথে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে মৃত সোলাইমানের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৩৫) বালতি ভর্তি গরম পানি সুমনের শরীরে ঢেলে দেয় ও তার পকেটে রক্ষিত ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় । এতে তার শরীরের বাম অংশ ঝলশে যায় । তার আর্ত চিৎকারে আনোয়ার, আলী আব্বাস ও জয়নব বেগম ছুটে আসলে ইউনুছ পিতা মৃত শামছুল হক , মজিবুর রহমান (৪০),মোঃ আকতার হোসন (২৬) পিতাঃ মৃত সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুর রব (৬০) পিতা মৃতঃ নেয়াজ উদ্দিন , শামছুনন্নাহার পিতাঃ মৃত আব্দুল ওহাব একযোগে তাদের উপর হামলা করে। এসময় আনোয়ার হোসেনের মাথা ফেঠে যায় , ছুরি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় আলী আব্বাসকে, জয়নব বেগমকে মারধর ও তার পরিধেয় কাপড় ছিড়েঁ ফেলা হয়। এ ঘটনায় শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নং-০৬ তারিখ ১০/০৫/১৬ ।

চাঁদপুরের কচুয়ায় সোমবার (১৬ মে) বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয় অর্ধগলিত ও বিবস্ত্র এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল কচুয়া -কালিয়াপাড়া সড়কের উচিৎগাবা এলাকার গাজী বাড়ী সংলগ্ন এক ব্রিজ এর নিচে বস্তায় বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় প্রায় ৪০ বছর বয়সী এ অজ্ঞাতনামা পুরুষের অর্ধ গলিত লাশ ।এলাকাবাসী যানায়, কয়েক দিন ধরে ব্রিজ এর পাশে থেকে পোঁচা গন্ধ আসছিল। তারপর এলাকাবাসী ব্রীজের নীচে বস্তা দেখতে পেয়ে কচুয়া থানার পুলিশকে খবর দেয় ।
খবর পেয়ে কচুয়া থানার এসআই মোঃ ওয়াজেদ আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে লাশ উদ্ধার করেন এবং সুরুতাহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশটি কচুয়া থানায় নিয়ে আসে।
ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৬/৭দিন পূর্বে কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে ওই ব্রীজের নিচে ফেলে চলে যায়। এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আবদুর রব মোল্লা (৬২) বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় তাঁর নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)। শুক্রবার জানাযা শেষে তাকে পরিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি , স্ত্রী , ২ মেয়ে , ২ ছেলে সহ আত্মীয় স্বজন অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টায় নাওড়া ঈদগা মাঠে নামাজের জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
সাংবাদিক মো. মাহবুব আলমের উপস্থাপনায় জানাজা পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন , শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওঃ আবুল হোসাইন, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. দেলোয়ার হোসেন, আরবী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাও. শাহ জাহান, মরহুমের বড় মেয়ের জামাতা মো. শরিফুল ইসলাম।
মুসল্লিগণের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল, ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ তৈয়বুল ইসলাম পাটওয়ারী, শিক্ষক, ছাত্র , মরহুমের নিকট আত্মীয়স্বজন ও এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
নামাজের জানাযায় ইমামতি করেন ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মোঃ কামাল উদ্দিন আব্বাসী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৪৭।
এবার ঢাকা, কুমিল্লা ও যশোর বোর্ডে ৩টি করে, রাজশাহী, বরিশাল ও দিনাজপুর বোর্ডে ২টি করে এবং সিলেট বোর্ডের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে।
বুধবার দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সারাদেশে ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। কেন সব শিক্ষার্থী ফেল করল তা বিশ্লেষণ করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
এবার ২৮ হাজার ১৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিকে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭৩৪টি স্কুল ও মাদ্রাসায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৯৫টি।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।

শাহরাস্তি উপজেলার হাইড়েরপাড় গ্রামে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। কোনো প্রকার আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই গোপন সমঝোতায় লাশ দাফন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ১০ মে গভীর রাতে ঐ গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ হোসাইন (২৬) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরদিন সকালে বাড়ির লোকজন বাড়ির পেছনে থাকা কড়ই গাছের সাথে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। তারপর ঘটে নানা ঘটনা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মাস পূর্বে মোহাম্মদ হোসাইনের সাথে শাহরাস্তি পৌর এলাকার কাজিরকাপ গ্রামের ছফিউল্লার মেয়ে রিনা আক্তারের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকে মোহাম্মদ হোসাইন তার স্ত্রীকে মেনে নিতে পারেনি। তাদের অল্প ক' দিনের বিবাহিত জীবন ছিল লোক দেখানো। রিনার পরিবার জানায়, হোসাইন পরকীয়া প্রেম করার কারণে স্ত্রীকে মেনে নেয়নি। তাদের বিয়ের সময় কাবিননামায় দেনমোহরানা নির্ধারণ করা হয় দেড় লাখ টাকা। এরপর গত কিছু দিন পূর্বে হোসাইন ও রিনার পরিবার পক্ষ উক্ত বিষয়টি সমাধানের উদ্দেশ্যে বসেন। এতে শোরসাক এলাকায় ক'জন সালিসের উপস্থিতিতে একপর্যায়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ জন্যে ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা দেয়ার জন্যে মোহাম্মদ হোসাইনের উপর রায় দেয়া হয় । আগামী ১৫ মে উক্ত টাকা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উক্ত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে মোহাম্মদ হোসাইন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এদিকে হোসাইনের মৃতদেহ রেখে সালিস ও পরিবারের সদস্যরা হোসাইনের শ্বশুর বাড়ির লোকদের সাথে দফায় দফায় সমঝোতা বৈঠক করে। এক পর্যায়ে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের মধ্যে আপোষ হয়। হোসাইনের পিতা মিজানুর রহমানের নিকট এত টাকা না থাকায় তাৎক্ষণিক শোরসাক বাজারে অবস্থিত ডায়মন্ড ঋণদান সমিতি থেকে ২ লাখ টাকা উত্তোলন করে রিনার পরিবারকে প্রদান করে। অপরদিকে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি প্রদান করেন। হোসাইনের ভাবী মনি বেগম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হোসাইনের স্ত্রী রিনা ভালো মেয়ে, আমরা তাকে রাখতে চেয়েছি। কিন্তু হোসাইন মেনে নিতে পারছিলো না। যেহেতু হোসাইন মারা গেছে তাই তাদের দাবি পূরণ করা হয়েছে।
হোসাইনের মা রোকেয়া বেগম সাংবাদিকদের দেখে বলেন, আমরাতো গতকাল পুলিশকে টাকা দিয়েছি, আপনারা কেন এসেছেন? এ ব্যাপারে সালিস সালেহ আহমেদ, মনির হোসেন ও তৈয়ব আলী তালুকদার জানান, তারা দু'পক্ষের মাঝে সমাধানের চেষ্টা করছিলো। ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা নির্ধারণ করার পেছনে কী যুক্তি ছিল সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে এত বড় টাকার অংক নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে হোসাইনের পক্ষে এ টাকা যোগাড় করা সম্ভব না হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, হোসাইন মৃত্যুর আগে চিরকুট রেখে গেছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে হোসাইনের শ্বশুর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে রিনার জেঠা মেহার দক্ষিণ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মোঃ আবু তাহের প্রকাশ ভোলা চকিদার ২ লাখ টাকা নির্ধারণের কথা স্বীকার করেন। টাকা গ্রহণের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। তবে রিনার সাথে যাওয়া নিকটাত্মীয় শাহরাস্তি পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর ছকিনা বেগম টাকা গ্রহণের বিষয়টি সাংবাদিকদের মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।

আমি শূন্য থেকে শুরু করেছি, কিন্তু শূন্য করে রেখে যাই নাই
– বিদায়ী মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল
– বিদায়ী মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল
শাহরাস্তি পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে
আমার শতভাগ চেষ্টা থাকবে
– নব নির্বাচিত মেয়র হাজী আবদুল লতিফ।
আমার শতভাগ চেষ্টা থাকবে
– নব নির্বাচিত মেয়র হাজী আবদুল লতিফ।
মোঃ মাহবুব আলমঃ শাহরাস্তি পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র হাজী আবদুল লতিফ দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেছেন। গতকাল ২৮ মার্চ বিকাল ৩ টায় বিদায়ী মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল থেকে নব-নির্বাচিত মেয়র দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে পৌর মিলনায়তনে নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিদায়ী মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল এ সময় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের সময় শূন্য থেকে শুরু করেছি। বর্তমানে পৌরসভাকে শূন্য করে দিয়ে যাই নাই। আমি পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পেরেছি। এ জন্য সংসদ সদস্য মহোদয়ের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল। বর্তমানে পৌরসভার রাজস্ব ১০ লক্ষ টাকা রয়েছে। পৌরসভার নিজস্ব আয় দিয়ে উন্নয়ন করতে হবে। পৌরসভাটি ভিএম.ডিএফ প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।
তিনি বর্তমানে মেয়রের উদ্দেশ্যে বলেন, পৌরসভার রাস্তাগুলো মেরামতের উদ্যোগ নিবেন। কাজ করতে গেলে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। তারপরও কাজ এগিয়ে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য ৫ কোটি টাকা অনুমোদন হয়েছে। পরিবেশের দরপত্র আহবানের অনুরোধ করছি। পৌরসভার মানুজের জন্য কাজ করবেন। উদ্যোগ থাকলে সরকার সহযোগিতা করবে।
তিনি সকলের উদ্দেশ্যে জানান, আপনাদের কাছে আমার ফিরে আসার সুযোগ নাই। আমার ইচ্ছে ছিল দুই মেয়াদে পৌর নির্বাচন করবো। তা আমি করে ফেলেছি। তিনি বলেন, কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে হয়রানী না হয়। পৌরসভার ঠিকাদারগণ খুব আন্তরিক। তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে।
সবসময় আমি সহযোগিতা পেয়েছি। আগামীতে আপনারা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ বলেন, আমি মোঃ মোস্তফা কামালকে আদর করি। আমি সব সময় তার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। দেশ যতদিন থাকবে। ততদিন উন্নয়ন হবে। আমি আশাবাদী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলামের অবদানে আমাদের উন্নয়ন হবে। পৌরসভার উন্নয়নের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। মোস্তফা কামাল পৌরসভাকে একটা অবস্থানে এনেছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে নিব। আমার/আপনার টাকায় রাস্তাঘাট হচ্ছে, তা রক্ষা করতে হবে। আমরা প্রত্যেকটি মানুষকে সকল কাজে সচেতন করতে চাই। বাকী দিনগুলোতে সম্মানের সাথে কাজ করে বিদায় নিতে পারি, আমি সেই চেষ্টা করি। শাহরাস্তি পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে আমার শতভাগ চেষ্টা থাকবে।
এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদায়ী ও নব-নির্বাচিত পৌর মেয়রদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তোফায়েল আহমেদ ইরান নবাগত ও বিদায়ী পৌর মেয়রদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব তোফায়েল আহমেদ শেখ, নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর নূর মোহাম্মদ মোল্লা, কাজী আঃ কুদ্দুছ রানা, মুকবুল আহাম্মদ, ছফি উল্লাহ মিয়াজী, বাহার উদ্দিন বাহার, মনির হোসেন, প্রহল্লাদ দে, বিকাশ মজুমদার, আবুল হোসেন, তুষার চৌধুরী রাসেল, নাজির আহমেদ, শাহাব উদ্দিন আলম, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর লুৎফুন্নাহার, ছকিনা বেগম, রাবেয়া বেগম ও মমতাজ বেগম।
বিদায়ী মেয়র মোঃ মোস্তফা কামাল এ সময় উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের সময় শূন্য থেকে শুরু করেছি। বর্তমানে পৌরসভাকে শূন্য করে দিয়ে যাই নাই। আমি পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করতে পেরেছি। এ জন্য সংসদ সদস্য মহোদয়ের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল। বর্তমানে পৌরসভার রাজস্ব ১০ লক্ষ টাকা রয়েছে। পৌরসভার নিজস্ব আয় দিয়ে উন্নয়ন করতে হবে। পৌরসভাটি ভিএম.ডিএফ প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।
তিনি বর্তমানে মেয়রের উদ্দেশ্যে বলেন, পৌরসভার রাস্তাগুলো মেরামতের উদ্যোগ নিবেন। কাজ করতে গেলে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। তারপরও কাজ এগিয়ে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য ৫ কোটি টাকা অনুমোদন হয়েছে। পরিবেশের দরপত্র আহবানের অনুরোধ করছি। পৌরসভার মানুজের জন্য কাজ করবেন। উদ্যোগ থাকলে সরকার সহযোগিতা করবে।
তিনি সকলের উদ্দেশ্যে জানান, আপনাদের কাছে আমার ফিরে আসার সুযোগ নাই। আমার ইচ্ছে ছিল দুই মেয়াদে পৌর নির্বাচন করবো। তা আমি করে ফেলেছি। তিনি বলেন, কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী যাতে হয়রানী না হয়। পৌরসভার ঠিকাদারগণ খুব আন্তরিক। তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে।
সবসময় আমি সহযোগিতা পেয়েছি। আগামীতে আপনারা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ বলেন, আমি মোঃ মোস্তফা কামালকে আদর করি। আমি সব সময় তার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। দেশ যতদিন থাকবে। ততদিন উন্নয়ন হবে। আমি আশাবাদী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলামের অবদানে আমাদের উন্নয়ন হবে। পৌরসভার উন্নয়নের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। মোস্তফা কামাল পৌরসভাকে একটা অবস্থানে এনেছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে নিব। আমার/আপনার টাকায় রাস্তাঘাট হচ্ছে, তা রক্ষা করতে হবে। আমরা প্রত্যেকটি মানুষকে সকল কাজে সচেতন করতে চাই। বাকী দিনগুলোতে সম্মানের সাথে কাজ করে বিদায় নিতে পারি, আমি সেই চেষ্টা করি। শাহরাস্তি পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে আমার শতভাগ চেষ্টা থাকবে।
এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদায়ী ও নব-নির্বাচিত পৌর মেয়রদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তোফায়েল আহমেদ ইরান নবাগত ও বিদায়ী পৌর মেয়রদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সচিব তোফায়েল আহমেদ শেখ, নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর নূর মোহাম্মদ মোল্লা, কাজী আঃ কুদ্দুছ রানা, মুকবুল আহাম্মদ, ছফি উল্লাহ মিয়াজী, বাহার উদ্দিন বাহার, মনির হোসেন, প্রহল্লাদ দে, বিকাশ মজুমদার, আবুল হোসেন, তুষার চৌধুরী রাসেল, নাজির আহমেদ, শাহাব উদ্দিন আলম, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর লুৎফুন্নাহার, ছকিনা বেগম, রাবেয়া বেগম ও মমতাজ বেগম।
দুধ আদর্শ খাবার। পরিবারের সুস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে অনেকেই প্রতিদিন দুধ কিনছেন। কিন্তু কোন দিন কী ভেবে দেখেছেন অনেক ক্ষেত্রেই এসব দুধে কি থাকে? প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে খোলা ও প্যাকেটজাত দুধে ফরমালিন, চিনি, নদীর পানি, হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের ভয়াবহ এসব মাত্রা।
শ্যাম্পু, ডিটারজেন্ট পাউডারের সঙ্গে বিভিন্ন রাসয়নিক মিশিয়ে বানানো হচ্ছে তরল দুধ। ছানার পানিতে রাসায়নিক মিশিয়ে বানানো ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর দুধ তৈরিও বন্ধ হয়নি। ভেজাল সনাক্তকারী যন্ত্র দিয়ে যাতে তা না ধরা যায় সে ব্যাবস্থাও করে নিয়েছে অসাধু ব্যাবসায়ীরা।
এ অপরাধের গোড়া কোথায়? অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রাজধানীর মিডফোর্ড এলাকার রাসয়নিকের দোকান থেকেই এসব ক্ষতিকর সব কামিক্যেল নিয়েই ভেজাল দুধ বানানো হয়।
কি করে বানানো হয় রাসায়নিক দুধ?
মাথার চুল পরিষ্কার করার শ্যাম্পুর সাথে খানিকটা পানি মিশিয়ে তৈরি করা হয় ফেনা। এরপর খানিকটা সয়াবিন, চিনিসহ আরও কিছু রাসায়নিকের সাথে একটু গুঁড়ো দুধ। তৈরি হয়ে গেল সাদা তরল। এটা জাদু মন্ত্রের কোন বিষয় না, একেবারেই বাস্তব। সাদা এই রাসায়সিক তরলকেই বাজারে বিক্রি করা হবে দুধ হিসাবে। এভাবে ২৫ গ্রাম দুধকে ১০ লিটার দুধ বানানো যায়।
ভেজাল দুধ বানানো এক শ্রমিক বলেন, ‘৫ থেকে ৬ বছর ধরে এইভাবে দুধ বানাইতেছি। এগুলো বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন কাস্টমার আছে। তারা এখান এসে দুধ নিয়ে যায়। বাসা-বাড়িতে এসব দুধ বিক্রি করা হয়’।
এইসব ভেজাল দুধে একটু এলাচের রস মিশিয়ে দিলে ভেজাল শনাক্তকারী কোন মেশিনে এসব দুধ ভেজাল ধরতে পড়ে না। এই দুধ গরম করলে যাতে ফেনা হয় সেজন্য মেশানো হয় আরেক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য।
এই যখন অবস্থা তখন কি করবে ভোক্তারা? ঠিক-বেঠিকের পার্থক্য করে দেয়ার দায়িত্ব যাদের তারাই বা কি করছেন?
ভোক্তা অধিকার ফোরামের চেয়ারম্যান ধীরাজ কুমার নাথ বলেন, ‘সরকারের একটা অধিদপ্তর আছে যারা এই দোকান ও ছোট কারখানে অনুমোদন দিয়ে থাকে। তাদের অনুমতি না নিয়ে এগুলো কি করে শুরু হল। অবশ্যই এখানে সরকারের গাফিলতি আছে। এ সমস্ত লোকদের সাথে তাদের যোগাযোগ আছে’।
কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারসহ সারাদেশে নারী ধর্ষণের বিচারের দাবিতে ২৫ এপ্রিল অর্ধদিবস হরতালের ডেকেছে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো।
এর মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৫ এপ্রিল সারা দেশে আধাবেলা হরতাল পালন করার কথা জানিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়ে এ ঘোষণা দেন প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্রঐক্যের নেতা-কর্মীরা।
দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে দোয়েল চত্বরে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন।
এ সময় পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা চালান ছাত্রজোট ও ছাত্রঐক্যের নেতা-কর্মীরা। তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে এসআই সুমন ও এএসআই আতিউর আহত হন।
পরে ব্যারিকেড ভেঙে শিক্ষার্থীরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এরপর পুলিশের আরেকটি গ্রুপ হাইকোর্ট মোড়ে তাদের বাধা দেয়। এ সময় জলকামান, লাঠিসোঁটাসহ পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বাধা পেয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফেরত যান।
আহত দুই পুলিশ সদস্যকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রমনা জোনের ডিসি মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্রঐক্যের নেতা-কর্মীরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের না যাওয়ার অনুরোধ জানাই। কিন্তু তারা আমাদের কথা না শুনে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে। এক পর্যায়ে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।’
ডায়মন্ড সিমেন্ট ম্যাজিক ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ
শাহরাস্তি প্রতিনিধি ॥ গত শনিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফেনী জেলর ফুলগাজী উপজেলার জিএম হাট হাইস্কুল মাঠে ডায়মন্ড সিমেন্ট ম্যাজিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনাল খেলায় ড্রিম-পয়েন্ট ফেনী ও ধুমকেতু জিএম হাট প্রতিদ্বন্ধীতা করে। ১০ ওভারের এই ম্যাজিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় ফেনী ড্রিম-পয়েন্ট একাদশ ধুমকেতু জিএম হাট একাদশকে ১৩ রানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলীম মজুমদার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড সিমেন্ট লি: ফেনী অঞ্চলের ম্যানেজার মো: মকবুল হোসাইন, ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মাইন উদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন জিএম হাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম (বাচ্চু)। খেলা পরিচালনা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় ও ফারহান ট্রেডার্সের স্বত্বাধীকারী জনাব ফরিদ আহমদ ভূইয়ার সার্বিক তত্বাবধায়নে উক্ত টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজারো ক্রীড়ামোদী দর্শক ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ইং তারিখে ঝাকজমকপূর্ণভাবে জিএম হাট হাইস্কুল মাঠে শুভ উদ্ভোধন হয় ডায়মন্ড এক্সট্রিম পাওয়াফুল গ্লোবাল সিমেন্ট ম্যাজিক ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০১৫।
সবকিছুই হারালে পাওয়া যায় হয়তো কিন্তু জীবন হারালে আর পাওয়া যায় না !!
(স্টিভ জবস যখন মারা যান তখন এ্যাপলের ব্যাংক একাউন্টে জমা ছিলো ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশী। টেকনোলজির এই প্রফেট বা রাজপূত্র মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একেবারে অন্তিম মুহুর্তে জীবন সম্পর্কে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন-যা জাপানি, চায়নীজ, হিন্দি, উর্দু, আরবী, স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, রুশ সহ প্রায় আঠারোটি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। শুধু তাই নয়- শিশুদের মানসিক উৎকর্ষতা বিধান এবং তাদের সুন্দর মনন গঠনের লক্ষে একাধিক ভাষায় স্টিভ জবসের এই অমর কথাগুলো সহ উনার জীবনী বিভিন্ন দেশের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।)
বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ চুড়োয় আরোহণ করেছি।যা আপনাদের কাছে সাফল্যের এক অনুপম দৃষ্টান্ত।কিন্তু,এ কথা ধ্রুব সত্য কাজের বাইরে আমার সামান্যই আনন্দ ছিলো। সম্পদের প্রলোভনে বিভোর ছিলাম সারা জীবন। আজ মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে দেখি-তখন আমার মনে হয়, আমার সব সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই ম্লান, তুচ্ছ আর অর্থহীন।এ্যাপলের বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রনে ছিলো-কিন্তু মৃত্যু আজ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তি কবরের বিছানায় শুয়ে আছে সেটা আদৌ কোনো বড় ব্যাপার না। প্রতি রাতে নিজের বিছানায় শুয়ার আগে আমি কি করলাম -সেটাই আসল ব্যাপার। অন্ধকার রাতে জীবনরক্ষাকারী মেশিনের সবুজ বাতিগুলোর দিকে চেয়ে আমার বুকের গহীনে হাহাকার করে ওঠে। মেশিনের শব্দের ভিতরে আমি নিকটবর্তী মৃত্যু দেবতার নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারি। অনুধাবন করতে পারি-শুধু সম্পদ না, সম্পদের সাথে সম্পর্কহীন জিনিসেরও মানুষের অন্বেষণ করা উচিত।
বেকুবের মতো সম্পদ আহরণই সবকিছুই নয়- আরো অনেককিছু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।আর তা হলো- মানুষের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করা,চিত্রকলার সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করা আর তারুণ্যে একটি সুন্দর স্বপ্ন নিজের হৃদয়ে লালন করা। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটলেই মানুষ আমার মতো এক ভ্রান্ত মানুষে পরিণত হতে পারে। ঈশ্বর আমাদের সবার হৃদয়ে ভালবাসা অনুভব করার জ্ঞান দিয়েছেন।কেবলমাত্র এই নশ্বর দুনিয়ায় সম্পদের মোহে জড়িয়ে পড়ার জন্য নয়। এই যে মৃত্যু শয্যায় শুয়ে আছি।কই, সব সম্পদতো এই বিছানায় নিয়ে আসতে পারিনি। শুধু আজ সাথে আছে ভালোবাসা, প্রেম, মায়া, মমতার স্ম্বতিগুলোই । এগুলোই শুধু সাথে থেকে সাহস যোগাবে , আলোর পথ দেখাবে। ভালোবাসা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে আছে- সম্পদ না খুঁজে ভালোবাসাও খোঁজে নিতে হয়। সম্পদ কভু শান্তি আনেনা।মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর ভালোবাসাই শান্তি আনে।পৃথিবীটাকে দেখো। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটে হাহাকার করলে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে না…
পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বিছানা কি জানেন? তাহলো- হাসপাতালের মৃত্য শয্যা। আপনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি একজন গাড়ি চালক রাখতে পারেন। আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার জন্য অনেক টাকাই আয় করে দিবে।কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য গোটা পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে।
বৈষয়িক যে কোনো জিনিস হারালে আপনি পাবেন। কিন্তু একটা জিনিসই হারালে আর পাওয়া যায়না তা হলো মানুষের জীবন। মানুষ যখন অপারেশান থিয়েটারে যায় তখন সে কেবলি অনুধাবন করে- কেন জীবনের মূল্যটা আগে বুঝিনি!! জীবনের যে স্টেজেই আপনি আজ থাকুন না কেন- ,মৃত্যু পর্দা আপনার জীবনের সামনে হাজির হবেই। সাঙ্গ হবে জীবন। তাই, এই নশ্বর জীবনের পরিসমাপ্তির আগে পরিবারের জন্য, আপনজনের জন্য, বন্ধুদের জন্য হৃদয়ে সবসময় ভালোবাসা রাখুন। নিজের জীবনটাকে ভালোবাসুন। ঠিক নিজের মতো করে অন্যকেও ভালোবাসুন।
বিদেশী সংবাদ হতে অনুদিত
যা ছোটদের জন্য উৎসর্গ করলাম
চাঁদপুর শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা এবং মেহার-লোটরা সড়কের বেহাল অবস্থা।
Nfc Club বার্তা নিউজ :
চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা খাও দাও ঘুমাও, কাজের এই নিয়মে পরিনত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগাধীন শাহরাস্তি উপজেলার মেহার-ডল্টা সড়কের শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা) হতে পৌরসভা সদর ঠাকুর বাজার মহামায়া গাছ তল, মডেল স্কুল, হাসপতাল গেইট, মেহার কালিবাড়ির অগ্রণী ব্যাংক এলাকা হতে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত।
Subscribe to:
Posts (Atom)







